জিন সাম্রাজ্যবাদ
“দ্য ইকোলজিস্ট পত্রিকায় খুব সুন্দর একটি কার্টুন ছাপা হয়েছিল যার হেডিং ছিল ইভল্যুশন অফ সায়েন্স। ছবিটা এরকম—দুটো পাশাপাশি ছবির একটাতে গ্যালিলিও, তাঁর সামনে পোপ দাঁড়িয়ে। পোপ গ্যালিলিওকে বলছেন যে, তুমি যদি চার্চের ডগমা না মানো তাহলে তোমাকে পুড়িয়ে মারব। পরের ছবিতে পোপের জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে কর্পোরেট বস,আর গ্যালিলিওরূপী পুশতাইকে সে বলছে যে, তুমি যদি কর্পোরেট ডগমা না মানো তাহলে তোমাকে মামলা করে সর্বস্বান্ত করে দেব। এই হাস্যকর অথচ ভয়ঙ্কর বিবর্তনটা বিজ্ঞানের কিন্তু হয়েছে।” লিখেছেন অভ্র চক্রবর্তী আমরা এই লেখায় জিন সাম্রাজ্যবাদ নিয়ে আলোচনা করব। এ নিয়ে বলতে গেলে একটু জীববিজ্ঞানের কচকচানি হয়তো এসে পড়বে। কিন্তু তা পুরোপুরি এড়িয়ে গোটা বিষয়টি বলা একটু মুশকিল। আমরা এইভাবে দেখতে পারি। মানুষের অর্থনৈতিক কাজের জন্যে যত রকমের উদ্ভিদ, প্রাণী, অণুজীব বা আরও যা যা ব্যবহৃত হয়,তাদের কিছু বিশেষ গুণের জন্যই তারা অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আর সেই গুণগুলি নিয়ন্ত্রণ করে এক বা একাধিক জিন। যেমন ল্যাংড়া আমের যে দারুণ স্বাদ, তা একাধিক জিন নিয়ন্ত্রণ করে। আবার সেদ্ধ করলে লম্বায় বেড়ে যাওয়া স...

Comments
Post a Comment